Yuva Sathi: বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন কী ভাবে, নথি কী কী লাগবে?

Viral_X
By
Viral_X
10 Min Read
#image_title

পশ্চিমবঙ্গের যুব সমাজের কর্মসংস্থান ও স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্য সরকার চালু করেছে 'যুব সাথী' প্রকল্প। এই উচ্চাভিলাষী উদ্যোগটি রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সম্প্রতি এই প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে এবং আরও বেশি সংখ্যক যুবককে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পটভূমি: যুব সমাজের ক্ষমতায়ন

পশ্চিমবঙ্গের যুবকদের কর্মসংস্থান একটি দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এবং রাজ্যের তরুণ প্রজন্মকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। 'যুব সাথী' প্রকল্পটি সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ, যা মূলত রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তা এবং কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভরতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। 'যুবশ্রী' প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলি এই লক্ষ্যেরই অংশ ছিল, যা পরে 'যুব সাথী' নামে আরও বিস্তৃত ও আধুনিক রূপ লাভ করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে, সরকার শুধু আর্থিক সাহায্যই নয়, বরং যুবকদের সঠিক পথে চালিত করে তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক যুবককে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা।

সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও পরিবর্তন

'যুব সাথী' প্রকল্পের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এটিকে আরও প্রাসঙ্গিক করতে সম্প্রতি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলির মধ্যে অন্যতম হল আবেদন প্রক্রিয়ার সরলীকরণ এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। পূর্ববর্তী ম্যানুয়াল বা আংশিক অনলাইন পদ্ধতির পরিবর্তে, এখন থেকে আবেদনকারীরা একটি সুসংহত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ঘরে বসেই সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। এটি আবেদনকারীদের সময় বাঁচাবে এবং প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে।

এছাড়াও, প্রকল্পের আওতায় আসা সুবিধাভোগীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মানোন্নয়ন করা হয়েছে। বর্তমান বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন দক্ষতা বিকাশের কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেমন ডিজিটাল মার্কেটিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সবুজ শক্তির প্রযুক্তি। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই কোর্সগুলি সফলভাবে সম্পন্নকারী যুবকদের জন্য প্লেসমেন্টের সুযোগও তৈরি করা হবে। প্রকল্পের বাজেটও বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে আরও বেশি সংখ্যক যুবক এই সুবিধা পেতে পারেন। সরকারের লক্ষ্য হল আগামী তিন বছরে অন্তত ৫ লক্ষ যুবককে এই প্রকল্পের আওতায় এনে তাদের স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই পদক্ষেপগুলি রাজ্যের যুবকদের মধ্যে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

প্রভাব: কারা উপকৃত হচ্ছেন?

'যুব সাথী' প্রকল্পটি সরাসরি রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের প্রভাবিত করছে। এই প্রকল্পের প্রধান সুবিধাভোগীরা হলেন ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সেই সমস্ত যুবক-যুবতীরা, যারা মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনো কোনো স্থায়ী কর্মসংস্থান পাননি এবং কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নন। প্রকল্পের মাধ্যমে তারা মাসিক আর্থিক অনুদান পাচ্ছেন, যা তাদের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে এবং নতুন দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে সহায়তা করছে।

এই প্রকল্পটি শুধু ব্যক্তিগত স্তরেই নয়, সামগ্রিকভাবে রাজ্যের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যুবকদের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছানোয় গ্রামীণ ও শহুরে উভয় অর্থনীতিতেই অর্থের প্রবাহ বাড়ছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকরা যখন কর্মসংস্থানে যুক্ত হচ্ছেন, তখন তারা রাজ্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেও অবদান রাখছেন। উদাহরণস্বরূপ, গত এক বছরে, এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫০,০০০ যুবককে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৭০% যুবক ইতিমধ্যেই স্ব-নিযুক্ত হয়েছেন অথবা বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি পেয়েছেন। এর ফলে বেকারত্বের হার কমাতেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষত, রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলের যুবকরা, যাদের কাছে প্রশিক্ষণের সুযোগ সীমিত, তারাও এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন। নারী ক্ষমতায়নেও এই প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা পালন করছে, কারণ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা আবেদনকারী এই প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করছেন।

কীভাবে আবেদন করবেন? (আবেদন প্রক্রিয়া)

'যুব সাথী' প্রকল্পে আবেদন করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি এখন অনলাইনভিত্তিক। এটি আবেদনকারীদের জন্য একটি সরল এবং সুবিধাজনক পদ্ধতি। নিচে ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলো:

ধাপ ১: অনলাইন পোর্টালে নিবন্ধন

প্রথমে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুব কল্যাণ দপ্তরের অফিসিয়াল 'যুব সাথী' পোর্টালে (যেমন: yuvashathi.wb.gov.in – এটি একটি উদাহরণ, প্রকৃত পোর্টালের ঠিকানা যাচাই করে নিন) ভিজিট করুন।
* 'নতুন আবেদনকারী নিবন্ধন' (New Applicant Registration) অপশনে ক্লিক করুন।
* আপনার নাম, ইমেল আইডি, মোবাইল নম্বর এবং একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
* আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি OTP (One Time Password) আসবে, যা দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টটি যাচাই (Verify) করতে হবে।

ধাপ ২: আবেদনপত্র পূরণ

সফলভাবে নিবন্ধনের পর, আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে পোর্টালে লগইন করুন।
* 'আবেদনপত্র পূরণ করুন' (Fill Application Form) অপশনে ক্লিক করুন।
* আবেদনপত্রে আপনার ব্যক্তিগত বিবরণ (নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা), যোগাযোগের বিবরণ (ঠিকানা, পিন কোড), শিক্ষাগত যোগ্যতা (সর্বশেষ পাশ করা পরীক্ষার বিবরণ, প্রাপ্ত নম্বর), পারিবারিক আয় এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (ব্যাংকের নাম, শাখার নাম, IFSC কোড, অ্যাকাউন্ট নম্বর) সঠিকভাবে পূরণ করুন।
* মনে রাখবেন, সমস্ত তথ্য যেন আপনার নথিপত্রের সাথে মিলে যায়।

ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি আপলোড

আবেদনপত্রের সাথে উল্লিখিত সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে (সাধারণত PDF বা JPEG) এবং নির্দিষ্ট আকারের মধ্যে আপলোড করুন।
* নথিগুলি যেন স্পষ্ট এবং পঠনযোগ্য হয়।
* আপনার সাম্প্রতিক পাসপোর্ট আকারের ছবি এবং স্বাক্ষরের স্ক্যান কপিও আপলোড করতে হবে।

ধাপ ৪: আবেদনপত্র জমা দেওয়া

সমস্ত তথ্য পূরণ এবং নথি আপলোড করার পর, একবার সম্পূর্ণ আবেদনপত্রটি পর্যালোচনা করুন। কোনো ভুল থাকলে সংশোধন করুন।
* 'জমা দিন' (Submit) বাটনে ক্লিক করে আপনার আবেদনপত্রটি চূড়ান্তভাবে জমা দিন।
* আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনি একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি বা রেফারেন্স নম্বর পাবেন। এটি ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সংরক্ষণ করে রাখুন।

ধাপ ৫: আবেদনের স্থিতি যাচাই

আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশন আইডি ব্যবহার করে পোর্টালে লগইন করে আপনার আবেদনের স্থিতি (Application Status) যাচাই করতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদনপত্র এবং নথি যাচাই করার পর আপনাকে এসএমএস বা ইমেলের মাধ্যমে আপডেট জানাবে।

নথি কী কী লাগবে? (প্রয়োজনীয় নথি)

'যুব সাথী' প্রকল্পে সফলভাবে আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত নথিগুলি প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। আবেদন করার আগে এই নথিগুলি স্ক্যান করে ডিজিটাল ফরম্যাটে প্রস্তুত রাখুন:

পরিচয়পত্র: আধার কার্ড (Aadhaar Card) অথবা ভোটার আইডি কার্ড (Voter ID Card)।
* ঠিকানার প্রমাণপত্র: আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, বিদ্যুৎ বিল (Electricity Bill), অথবা রেশন কার্ড (Ration Card)।
* বয়সের প্রমাণপত্র: মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড (Madhyamik Admit Card) অথবা জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate)।
* শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র: শেষ পাশ করা পরীক্ষার মার্কশিট (Mark Sheet) এবং সার্টিফিকেট (Certificate)। (যেমন: মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ইত্যাদি)।
* ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ: ব্যাংক পাসবুকের প্রথম পাতার স্ক্যান কপি, যেখানে অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC কোড এবং শাখার নাম স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে। মনে রাখবেন, অ্যাকাউন্টটি আবেদনকারীর নিজের নামে হতে হবে।
* বেকারত্বের ঘোষণা: একটি স্ব-ঘোষিত শংসাপত্র (Self-declaration) যেখানে উল্লেখ থাকবে যে আবেদনকারী কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নন এবং কোনো প্রকার মাসিক বেতন বা ভাতা গ্রহণ করছেন না। (এটি সাধারণত অনলাইন ফরমেই পূরণ করার অপশন থাকে)।
* পাসপোর্ট আকারের ছবি: সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (ডিজিটাল ফরম্যাটে)।
* স্বাক্ষর: আবেদনকারীর স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি।
* জাতিগত শংসাপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়): যদি আপনি SC/ST/OBC শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট জাতিগত শংসাপত্র।

সমস্ত নথি যেন স্পষ্ট এবং পঠনযোগ্য হয়। অস্পষ্ট বা ভুল নথি আপলোড করলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

Yuva Sathi: বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন কী ভাবে, নথি কী কী লাগবে?

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রত্যাশিত মাইলফলক

'যুব সাথী' প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বেশ কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী বছরগুলিতে এই প্রকল্পের আওতায় আরও বেশি সংখ্যক যুবককে নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার চাইছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পৌঁছে দিতে।

প্রত্যাশিত মাইলফলকগুলির মধ্যে রয়েছে:

প্রকল্পের সম্প্রসারণ: আগামী দুই বছরের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত জেলা এবং ব্লকে 'যুব সাথী' প্রকল্পের সুবিধা নিশ্চিত করা।
* নতুন প্রশিক্ষণ মডিউল: চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (Industry 4.0) সাথে সামঞ্জস্য রেখে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, রোবোটিক্স এবং ডেটা সায়েন্সের মতো অত্যাধুনিক বিষয়ে নতুন প্রশিক্ষণ মডিউল চালু করা।
* শিল্পের সাথে সংযোগ: স্থানীয় এবং জাতীয় শিল্পের সাথে আরও নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করা, যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকদের জন্য সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। শিল্প সংস্থাগুলির সাথে মউ (MoU) স্বাক্ষর করে প্লেসমেন্ট ড্রাইভের আয়োজন করা হবে।
* উদ্যোক্তা উন্নয়ন: যারা স্ব-উদ্যোগী হতে চান, তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সাথে যুক্ত করে নতুন স্টার্টআপ গড়ে তুলতে সহায়তা করা হবে।
* ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আধুনিকীকরণ: আবেদন এবং নিরীক্ষণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে অনলাইন পোর্টালটিকে নিয়মিতভাবে আপডেট করা। একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালুরও পরিকল্পনা রয়েছে, যা যুবকদের জন্য প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ সহজলভ্য করবে।
* পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন: প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যালোচনা এবং মূল্যায়নের জন্য একটি শক্তিশালী মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে, যাতে প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জন করা যায় এবং প্রয়োজনে পরিবর্তন আনা যায়।

এই সমস্ত পদক্ষেপগুলি 'যুব সাথী' প্রকল্পকে পশ্চিমবঙ্গের যুব সমাজের জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করতে এবং রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

TAGGED:
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply